আজ গোপালগঞ্জ এবং যশোরে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে, যা জনজীবনের জন্য বেশ কষ্টকর হতে পারে।


 সারাদেশে জেঁকে বসা শীতের দাপটে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উত্তরের হিমেল হাওয়ার কারণে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের ওপর। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ে থাকছে রাস্তাঘাট, ফলে দিনের বেলাতেও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার তীব্রতা এতটাই বাড়ছে যে, কয়েক হাত দূরের জিনিসও স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না।


শীতের এই তীব্রতায় হাসপাতালে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে শিশু ও বৃদ্ধরা ভর্তি হচ্ছেন। নিম্ন আয়ের মানুষেরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। তীব্র শীতের কারণে কৃষি কাজেও ব্যাঘাত ঘটছে; শ্রমিকরা সময়মতো মাঠে নামতে পারছেন না। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। উপকূলীয় জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম থাকলেও উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে শীতের প্রকোপ এখন তুঙ্গে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ শুরু হলেও চাহিদার তুলনায় তা অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। হঠাৎ আসা এই হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় গরম কাপড়ের দোকানেও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য 

জেলা/অঞ্চলসর্বনিম্ন তাপমাত্রাসর্বোচ্চ তাপমাত্রাবিশেষ পরিস্থিতি
গোপালগঞ্জ৭.৫°C২১°Cতীব্র শীত ও শৈত্যপ্রবাহ
যশোর৭.৮°C২২°Cকনকনে ঠান্ডা
রাজশাহী৮.৪°C২৩°Cমৌসুমের সর্বনিম্ন
পঞ্চগড়/ঠাকুরগাঁও৯°C২২°Cঘন কুয়াশা
ঢাকা১৩.৭°C২৪°Cকুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ
চট্টগ্রাম১৫.৪°C২৭°Cতুলনামূলক সহনীয়

Previous Post Next Post