১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের আপডেট অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধের দামামা যেমন বাজছে, তেমনি কোথাও কোথাও আবার শান্তির মরিচিকা দেখা যাচ্ছে। ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অফ পিস’ বা শান্তি পর্ষদ নিয়ে তোলপাড় চলছে; যেখানে পাকিস্তান ও তুরস্কের মতো দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই পর্ষদ নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। ইউক্রেন ও রাশিয়ার সীমান্তে লড়াই এখনো থামেনি, রাশিয়ার বাহিনী জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে ধীরগতিতে এগোলেও দুই পক্ষেই সেনা নিহতের সংখ্যা কয়েক লাখে পৌঁছেছে। সুদানে গৃহযুদ্ধ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে, যেখানে গোল্ড ও ড্রোন পাচারের মাধ্যমে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং ডারফুরে সাধারণ মানুষের ওপর হামলার ঘটনা বাড়ছে। মিয়ানমারে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর লড়াইয়ে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বিমান হামলার পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। সিরিয়ায় স্থিতিশীলতা ফেরার বদলে উল্টো আইএসআইএস-এর পুনরুত্থান এবং তুর্কি ও ইসরায়েলি হস্তক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। হাইতিতে গ্যাং কালচার ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে সাধারণ নাগরিকরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে বন্দর দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় জঙ্গিবাদ ও গোলাগুলি নিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে। ভেনিজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় মাদুরো সরকার হাই অ্যালার্ট জারি করে রেখেছে। এছাড়া গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে ট্রাম্পের একরোখা সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের আপডেট অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে যুদ্ধের দামামা যেমন বাজছে, তেমনি কোথাও কোথাও আবার শান্তির মরিচিকা দেখা যাচ্ছে। ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অফ পিস’ বা শান্তি পর্ষদ নিয়ে তোলপাড় চলছে; যেখানে পাকিস্তান ও তুরস্কের মতো দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই পর্ষদ নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন। ইউক্রেন ও রাশিয়ার সীমান্তে লড়াই এখনো থামেনি, রাশিয়ার বাহিনী জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে ধীরগতিতে এগোলেও দুই পক্ষেই সেনা নিহতের সংখ্যা কয়েক লাখে পৌঁছেছে। সুদানে গৃহযুদ্ধ ভয়ংকর রূপ নিয়েছে, যেখানে গোল্ড ও ড্রোন পাচারের মাধ্যমে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং ডারফুরে সাধারণ মানুষের ওপর হামলার ঘটনা বাড়ছে। মিয়ানমারে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর লড়াইয়ে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বিমান হামলার পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। সিরিয়ায় স্থিতিশীলতা ফেরার বদলে উল্টো আইএসআইএস-এর পুনরুত্থান এবং তুর্কি ও ইসরায়েলি হস্তক্ষেপের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। হাইতিতে গ্যাং কালচার ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে সাধারণ নাগরিকরা জিম্মি হয়ে পড়েছে। ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে বন্দর দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে যুদ্ধের প্রস্তুতি চলছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্ত এলাকায় জঙ্গিবাদ ও গোলাগুলি নিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে। ভেনিজুয়েলায় মার্কিন অভিযানের আশঙ্কায় মাদুরো সরকার হাই অ্যালার্ট জারি করে রেখেছে। এছাড়া গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে ট্রাম্পের একরোখা সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
