২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরণের পালাবদল ঘটতে যাচ্ছে। প্রভাবশালী দেশগুলোর জিডিপি এবং প্রবৃদ্ধির হারে লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন আসার পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক। চলতি বছর ৩১.৮ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখছে যুক্তরাষ্ট্র, যদিও তাদের প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা ধীর হয়ে ২.১ শতাংশে নামতে পারে। চীনের অর্থনীতি ২০.৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও আবাসন খাতের অস্থিরতা ও বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে তাদের প্রবৃদ্ধির হার ৪.৮ শতাংশে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের উত্থান চোখে পড়ার মতো; দেশটি ৪.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে জাপানকে পেছনে ফেলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির আসনটি পাকাপোক্ত করছে। ভারতের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৬.২ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। ইউরোপের মধ্যে ৫.৩ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে জার্মানি তৃতীয় অবস্থান ধরে রাখলেও তাদের শিল্পোৎপাদন এখনো বেশ ধীর। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স যথাক্রমে ৪.২ ও ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে শীর্ষ দশে নিজেদের টিকিয়ে রেখেছে। এশিয়ার উদীয়মান শক্তি হিসেবে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম এ বছর ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৪ শতাংশের আশেপাশে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে এগুচ্ছে। তবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাণিজ্য যুদ্ধ এবং বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত নতুন শুল্ক নীতি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে বিশাল বিনিয়োগ অনেক উন্নত দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখলেও অনুন্নত দেশগুলো ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়ছে। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালে বিশ্বের মোট জিডিপির আকার ১২৩.৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরণের পালাবদল ঘটতে যাচ্ছে। প্রভাবশালী দেশগুলোর জিডিপি এবং প্রবৃদ্ধির হারে লক্ষ্যণীয় পরিবর্তন আসার পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক। চলতি বছর ৩১.৮ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখছে যুক্তরাষ্ট্র, যদিও তাদের প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা ধীর হয়ে ২.১ শতাংশে নামতে পারে। চীনের অর্থনীতি ২০.৭ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও আবাসন খাতের অস্থিরতা ও বার্ধক্যজনিত সমস্যার কারণে তাদের প্রবৃদ্ধির হার ৪.৮ শতাংশে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের উত্থান চোখে পড়ার মতো; দেশটি ৪.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে জাপানকে পেছনে ফেলে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির আসনটি পাকাপোক্ত করছে। ভারতের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৬.২ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। ইউরোপের মধ্যে ৫.৩ ট্রিলিয়ন ডলার নিয়ে জার্মানি তৃতীয় অবস্থান ধরে রাখলেও তাদের শিল্পোৎপাদন এখনো বেশ ধীর। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স যথাক্রমে ৪.২ ও ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে শীর্ষ দশে নিজেদের টিকিয়ে রেখেছে। এশিয়ার উদীয়মান শক্তি হিসেবে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম এ বছর ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫.৪ শতাংশের আশেপাশে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্সের ওপর ভর করে এগুচ্ছে। তবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাণিজ্য যুদ্ধ এবং বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত নতুন শুল্ক নীতি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে বিশাল বিনিয়োগ অনেক উন্নত দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখলেও অনুন্নত দেশগুলো ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়ছে। সব মিলিয়ে ২০২৬ সালে বিশ্বের মোট জিডিপির আকার ১২৩.৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
