নির্বাচন কমিশন ও মাঠ প্রশাসনের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর দেশজুড়ে এখন পুরোদমে ভোটের আবহ বিরাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করে প্রচারণার কৌশল সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্রই সাধারণ মানুষের মুখে এখন একটাই আলোচনা, কে হচ্ছেন পরবর্তী জনপ্রতিনিধি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, যাতে ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছানোর প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের রিটার্নিং কর্মকর্তারা নিয়মিত সমন্বয় সভা করছেন যাতে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই নির্বাচন সম্পন্ন করা যায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে, তাই দলগুলো তরুণদের টানতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। ব্যানার, ফেস্টুন আর মাইকিংয়ে মুখরিত হয়ে উঠেছে অলিগলি, যা উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করেছে।
বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও নিজ এলাকার নির্বাচনের খোঁজখবর রাখছেন নিয়মিত। নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলগুলো ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শুরু করেছে এবং তারা পরিস্থিতির ওপর গভীর নজর রাখছে। কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বসানো হয়েছে অতিরিক্ত চেকপোস্ট। ভোটারদের মধ্যে ভোট দেওয়ার আগ্রহ আগের চেয়ে অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে, বিশেষ করে নারী ভোটারদের দীর্ঘ সারি এবার নজর কাড়তে পারে। সব মিলিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র এবং সাধারণ জনগণ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।
