অভিযানে এসটিসির বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরকারি বাহিনীর হাতে জব্দ হয়েছে। বিদ্রোহীদের অনেক জ্যেষ্ঠ কমান্ডারের অবস্থান বর্তমানে অজানা, কেউ কেউ পালিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সৌদি আরবের সরাসরি সহযোগিতায় এই অভিযানটি পরিচালনা করা হয়, যা ইয়েমেন সরকারের মনোবল অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সাফল্যের ফলে দক্ষিণাঞ্চলে এসটিসির একচ্ছত্র আধিপত্যে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। সরকারের এই জয় ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধের সমীকরণ পুরোপুরি বদলে দিতে পারে।
বর্তমানে মুক্ত হওয়া এলাকাগুলোতে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে এবং সরকারি প্রশাসন তাদের কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এসটিসি সমর্থকরা বড় ধরণের পাল্টা হামলার পরিকল্পনা করতে পারে এমন আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সেনাবাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়কগুলোতে নিরাপত্তা চৌকি বসিয়ে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে। ইয়েমেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এই সামরিক বিজয়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সাফল্যের পর সৌদি জোটের পক্ষ থেকে ইয়েমেন সরকারকে আরও জোরালো সমর্থনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
