আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা ভোট বানচালের চেষ্টা কঠোরভাবে দমন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। আজ এক আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় তিনি স্পষ্ট জানান, সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ভোটের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। কেউ যদি অবৈধভাবে ভোটকেন্দ্রে বাধা সৃষ্টি করে বা সাধারণ মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে, তবে তাকে সাথে সাথে আইনের আওতায় আনা হবে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে মাঠপর্যায়ে বিশেষ নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কোনো গোষ্ঠী অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে।
উপদেষ্টা আরও জানান, নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হবে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং তল্লাশি জোরদার করার কাজ শুরু হয়েছে। গুজব ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরি করা রুখতে সাইবার ইউনিটগুলো ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। সীমান্ত এলাকা দিয়ে যাতে কোনো অবৈধ অস্ত্র বা বহিরাগত প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য বিজিবিকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের পথে যারা বাধা হবে, তাদের পরিচয় যাই হোক কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রচার-প্রচারণার নামে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি করলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দিচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এবারের নির্বাচনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সেই আস্থার পরিবেশ তৈরিতে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির পক্ষে কাজ না করে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ বাহিনীকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উপদেষ্টা আরও জানান, নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হবে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং তল্লাশি জোরদার করার কাজ শুরু হয়েছে। গুজব ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরি করা রুখতে সাইবার ইউনিটগুলো ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। সীমান্ত এলাকা দিয়ে যাতে কোনো অবৈধ অস্ত্র বা বহিরাগত প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য বিজিবিকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের পথে যারা বাধা হবে, তাদের পরিচয় যাই হোক কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রচার-প্রচারণার নামে সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি করলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দিচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এবারের নির্বাচনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। ভোটাররা যেন নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সেই আস্থার পরিবেশ তৈরিতে প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। কোনো নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির পক্ষে কাজ না করে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশ বাহিনীকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
