রাজধানীর বাড্ডা ও ভাটারা এলাকায় কয়েক দিনের ব্যবধানে ঘটে যাওয়া দুটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কূলকিনারা করতে পারছে না পুলিশ। গত পাঁচ দিন ধরে তদন্ত চললেও এখন পর্যন্ত খুনিদের শনাক্ত করা কিংবা এই জোড়া খুনের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন সম্ভব হয়নি। পৃথক দুটি ঘটনায় কোনো প্রত্যক্ষদর্শী না থাকা এবং খুনিরা অত্যন্ত পেশাদারিত্বের ছাপ রাখায় অন্ধকারেই রয়ে গেছে তদন্তকারী দল। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার পর থেকে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
বাড্ডার ঘটনায় উদ্ধারকৃত লাশের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক ক্ষত পাওয়া গেছে, যা থেকে পুলিশের ধারণা এটি পরিকল্পিত কোনো হত্যাকাণ্ড। অন্যদিকে ভাটারায় খুনের ধরনে ভিন্নতা থাকলেও কোনো ধরণের লুণ্ঠন বা চুরির আলামত পাওয়া যায়নি। পুলিশ নিহতের পারিবারিক ও ব্যবসায়িক শত্রুতার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে। ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটক করা হলেও তাদের কাছ থেকে কোনো জোরালো তথ্য মেলেনি।
উভয় স্পটের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে, কিন্তু অন্ধকার এবং খুনিদের কৌশলগত অবস্থানের কারণে তাদের মুখ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে না। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ডিএনএ নমুনা ও মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অপরাধীদের ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট থানার ওসি জানিয়েছেন, রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটনের জন্য একাধিক টিম কাজ করছে এবং কিছু সন্দেহভাজন গতিবিধি তাদের নজরে এসেছে। কোনো একটি অপরাধী চক্র এই এলাকাগুলোতে আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে কি না, তা নিয়েও গোয়েন্দারা তদন্ত করছেন।
