ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম সিলিন্ডার প্রতি এক লাফে দেড়গুণ বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ থেকে কার্যকর হওয়া এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ গ্রাহকদের ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডার কিনতে আগের চেয়ে অনেক বেশি টাকা গুনতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং দেশে ডলার সংকটের কারণে এলপিজি আমদানিতে খরচ বাড়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
বাজারে সরবরাহ সংকটের অজুহাতে গত কয়েক দিন ধরেই ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখছিলেন। আমদানিকারকরা বলছেন, এলসি খুলতে দেরি হওয়া এবং জাহাজ জট সৃষ্টির কারণে বন্দরে সময়মতো গ্যাস পৌঁছাতে পারছে না। এর ফলে চাহিদার তুলনায় বাজারে যোগান অনেক কমে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দামে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই বাড়তি দাম কমার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না ব্যবসায়ীরা।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়াই যাচ্ছে না। খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, কোম্পানিগুলো থেকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস দেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে তাদের মাসিক বাজেটে বড় ধরণের টান পড়বে। হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকরাও রান্নার খরচ বেড়ে যাওয়ায় খাবারের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছেন।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলপিজি খাতের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় বেসরকারি কোম্পানিগুলো নিজেদের ইচ্ছেমতো সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে। সংকট কাটাতে দ্রুত আমদানির ব্যবস্থা করা না হলে সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এই
বাজারে সরবরাহ সংকটের অজুহাতে গত কয়েক দিন ধরেই ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখছিলেন। আমদানিকারকরা বলছেন, এলসি খুলতে দেরি হওয়া এবং জাহাজ জট সৃষ্টির কারণে বন্দরে সময়মতো গ্যাস পৌঁছাতে পারছে না। এর ফলে চাহিদার তুলনায় বাজারে যোগান অনেক কমে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে দামে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই বাড়তি দাম কমার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না ব্যবসায়ীরা।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়াই যাচ্ছে না। খুচরা বিক্রেতাদের দাবি, কোম্পানিগুলো থেকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস দেওয়া হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে তাদের মাসিক বাজেটে বড় ধরণের টান পড়বে। হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকরাও রান্নার খরচ বেড়ে যাওয়ায় খাবারের দাম বাড়ানোর কথা ভাবছেন।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এলপিজি খাতের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় বেসরকারি কোম্পানিগুলো নিজেদের ইচ্ছেমতো সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে। সংকট কাটাতে দ্রুত আমদানির ব্যবস্থা করা না হলে সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এই
