আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপির প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে বড় ধরণের জটিলতা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে নেওয়া বড় অংকের ঋণ দীর্ঘ সময় ধরে পরিশোধ না করার তথ্য প্রমাণসহ এই আবেদন করা হয়েছে।
আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী ঋণখেলাপি হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারান। অভিযোগকারী পক্ষ দাবি করেছে, হলফনামায় ওই প্রার্থী ঋণের তথ্য গোপন করেছেন যা নির্বাচনী বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ব্যাংকের দেওয়া তথ্য এবং প্রার্থীর দাখিল করা নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে দ্রুতই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়েছে। দলটির স্থানীয় নেতারা বলছেন, জনপ্রিয়তায় ভয় পেয়ে প্রতিপক্ষরা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে। তারা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মনোনয়ন টিকিয়ে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত এই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হলে পুরো নির্বাচনী সমীকরণ বদলে যেতে পারে।
সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এই খবর নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে বিএনপিকে বিকল্প প্রার্থীর কথা ভাবতে হতে পারে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ঋণখেলাপির বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্ক্রুটিনি শেষে এই আসনের প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
