১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের সবশেষ খবর অনুযায়ী, বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে চলা অস্থিরতা নতুন মোড় নিয়েছে। আজ বিসিবির ডিসিপ্লিনারি কমিটির কাছে নিজের শোকজের আনুষ্ঠানিক জবাব জমা দিয়েছেন নাজমুল। কমিটির প্রধান ফাইয়াজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, চিঠির বিষয়বস্তু এখনো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। গত ১৪ জানুয়ারি মিলাদ মাহফিল শেষে ক্রিকেটারদের বেতন ও পারফরম্যান্স নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এবং জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা বিপিএল বয়কটসহ সব ধরনের খেলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে বিসিবি জরুরি সভা ডেকে ইতোমধ্যেই নাজমুলকে অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। ক্রিকেটারদের মূল দাবি ছিল নাজমুলের পদত্যাগ ও প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা; যার প্রেক্ষিতে তিনি আজ শোকজের জবাব দিলেন। কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন জানিয়েছিলেন, সম্মানহানি করে এমন কাউকে বোর্ডে রাখা হবে না এবং ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরবেন না। তবে বিসিবির হস্তক্ষেপে এবং নাজমুলের জবাবের পর একটি সমঝোতার পথ তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে এই পরিচালকের ভাগ্য এবং কোয়াবের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিসিবির আসন্ন বোর্ড মিটিংয়ে নেওয়া হবে। এদিকে মাঠের বাইরে এমন অস্থিরতার মাঝেই বিপিএল পুনরায় শুরু করার চেষ্টা চালাচ্ছে বোর্ড। মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে ফেরা এবং ভারতের নিরাপত্তা ইস্যুতেও বিসিবি আইসিসির সাথে দেনদরবার চালিয়ে যাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে প্রশাসনিক দলাদলি ও খেলোয়াড়দের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে বেশি ব্যস্ত।
১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের সবশেষ খবর অনুযায়ী, বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে চলা অস্থিরতা নতুন মোড় নিয়েছে। আজ বিসিবির ডিসিপ্লিনারি কমিটির কাছে নিজের শোকজের আনুষ্ঠানিক জবাব জমা দিয়েছেন নাজমুল। কমিটির প্রধান ফাইয়াজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, চিঠির বিষয়বস্তু এখনো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। গত ১৪ জানুয়ারি মিলাদ মাহফিল শেষে ক্রিকেটারদের বেতন ও পারফরম্যান্স নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) এবং জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা বিপিএল বয়কটসহ সব ধরনের খেলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে বিসিবি জরুরি সভা ডেকে ইতোমধ্যেই নাজমুলকে অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। ক্রিকেটারদের মূল দাবি ছিল নাজমুলের পদত্যাগ ও প্রকাশ্য ক্ষমা প্রার্থনা; যার প্রেক্ষিতে তিনি আজ শোকজের জবাব দিলেন। কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন জানিয়েছিলেন, সম্মানহানি করে এমন কাউকে বোর্ডে রাখা হবে না এবং ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরবেন না। তবে বিসিবির হস্তক্ষেপে এবং নাজমুলের জবাবের পর একটি সমঝোতার পথ তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে এই পরিচালকের ভাগ্য এবং কোয়াবের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিসিবির আসন্ন বোর্ড মিটিংয়ে নেওয়া হবে। এদিকে মাঠের বাইরে এমন অস্থিরতার মাঝেই বিপিএল পুনরায় শুরু করার চেষ্টা চালাচ্ছে বোর্ড। মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে ফেরা এবং ভারতের নিরাপত্তা ইস্যুতেও বিসিবি আইসিসির সাথে দেনদরবার চালিয়ে যাচ্ছে। সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়ে প্রশাসনিক দলাদলি ও খেলোয়াড়দের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে বেশি ব্যস্ত।
