বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ এখন এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে যা কল্পনা করাও কঠিন। বর্তমানে তার মোট সম্পদের আর্থিক মূল্য দিয়ে অনায়াসেই আস্ত একটি দেশ কিনে নেওয়া সম্ভব। টেসলা এবং স্পেস-এক্সের এই মালিকের হাতে এখন প্রায় ৩৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ সম্পদ রয়েছে। এই বিশাল অংকের টাকা দিয়ে তিনি চাইলে হাঙ্গেরি বা ভিয়েতনামের মতো দেশের পুরো অর্থনীতি বা জিডিপি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় তার এই একক সম্পদ অনেক বড়। মাস্কের এই আকাশচুম্বী আয়ের পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখছে টেসলার শেয়ারের উর্ধ্বগতি। ট্রাম্পের নির্বাচনী জয়ের পর থেকেই তার কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করেছে। শুধু একদিনেই তার সম্পদে কয়েক বিলিয়ন ডলার যোগ হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। বর্তমানে তিনি বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকার ১ নম্বরে শক্ত অবস্থান নিয়ে আছেন। তার এই সম্পদের পরিমাণ অনেক দেশের বার্ষিক বাজেটের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে মাস্ক এখন কেবল একজন ব্যবসায়ী নন, বরং একক ব্যক্তি হিসেবে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক শক্তি। আধুনিক প্রযুক্তির বাজারে একচেটিয়া আধিপত্যের কারণেই তার এই বিশাল বৈভব তৈরি হয়েছে। প্রযুক্তির প্রতি মানুষের আগ্রহ এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার প্রজেক্টের কারণে বিনিয়োগকারীরা তার ওপর ভরসা রাখছেন। ইলন মাস্কের এই অর্থ দিয়ে পৃথিবীর কয়েকশ বড় ফুটবল ক্লাব বা বড় বড় শহর কিনে নেওয়া কোনো ব্যাপারই না।
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ এখন এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে যা কল্পনা করাও কঠিন। বর্তমানে তার মোট সম্পদের আর্থিক মূল্য দিয়ে অনায়াসেই আস্ত একটি দেশ কিনে নেওয়া সম্ভব। টেসলা এবং স্পেস-এক্সের এই মালিকের হাতে এখন প্রায় ৩৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ সম্পদ রয়েছে। এই বিশাল অংকের টাকা দিয়ে তিনি চাইলে হাঙ্গেরি বা ভিয়েতনামের মতো দেশের পুরো অর্থনীতি বা জিডিপি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তুলনায় তার এই একক সম্পদ অনেক বড়। মাস্কের এই আকাশচুম্বী আয়ের পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখছে টেসলার শেয়ারের উর্ধ্বগতি। ট্রাম্পের নির্বাচনী জয়ের পর থেকেই তার কোম্পানির শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করেছে। শুধু একদিনেই তার সম্পদে কয়েক বিলিয়ন ডলার যোগ হওয়ার রেকর্ড রয়েছে। বর্তমানে তিনি বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকার ১ নম্বরে শক্ত অবস্থান নিয়ে আছেন। তার এই সম্পদের পরিমাণ অনেক দেশের বার্ষিক বাজেটের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি। আন্তর্জাতিক বাজারে মাস্ক এখন কেবল একজন ব্যবসায়ী নন, বরং একক ব্যক্তি হিসেবে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক শক্তি। আধুনিক প্রযুক্তির বাজারে একচেটিয়া আধিপত্যের কারণেই তার এই বিশাল বৈভব তৈরি হয়েছে। প্রযুক্তির প্রতি মানুষের আগ্রহ এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার প্রজেক্টের কারণে বিনিয়োগকারীরা তার ওপর ভরসা রাখছেন। ইলন মাস্কের এই অর্থ দিয়ে পৃথিবীর কয়েকশ বড় ফুটবল ক্লাব বা বড় বড় শহর কিনে নেওয়া কোনো ব্যাপারই না।
