গালতা ব্রিজ থেকে বিশ্বকে কী বার্তা দিল তুরস্ক? গাজায় শান্তি ফেরানোর দাবি


 তুরস্কের ঐতিহাসিক গালতা ব্রিজ আজ হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে এক টুকরো ফিলিস্তিনে পরিণত হয়েছে। বছরের প্রথম দিনেই ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে এবং ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতে বিশাল এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। ইস্তাম্বুলের এই সেতুটি এখন আর কেবল দুই পাড়ের সংযোগস্থল নয়, বরং নিপীড়িত মানুষের পক্ষে প্রতিবাদের এক শক্তিশালী মঞ্চ হয়ে উঠেছে।

সকাল থেকেই তুরস্কের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ গালতা ব্রিজে জড়ো হতে শুরু করে। সবার হাতে ছিল ফিলিস্তিন ও তুরস্কের জাতীয় পতাকা। সমবেত জনতা ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। উপস্থিত মানুষের ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে, ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিক্ষোভকারীরা গাজা উপত্যকায় চলমান নির্বিচার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের ছেলে বিলাল এরদোয়ানসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতা এই সমাবেশে সরাসরি অংশ নেন। বিলাল এরদোয়ান তাঁর বক্তব্যে বলেন, "আমরা চুপ করে থাকতে পারি না, যখন আমাদের ভাইদের ওপর এভাবে জুলুম করা হচ্ছে।"

সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ জানান, তারা কেবল সহমর্মিতা জানাতেই এখানে আসেননি, বরং বিশ্ব বিবেককে জাগ্রত করতে চান। গালতা ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে তারা গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানান। অনেকেই শিশুদের ছবি এবং প্ল্যাকার্ড নিয়ে আসেন, যেখানে ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর নির্যাতনের চিত্র ফুটে উঠেছে।

পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত জোরদার করা হয়েছিল। তুরস্কের মিডিয়াগুলো এই জমায়েতকে 'বিশাল জনসমুদ্র' হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। এই 

Previous Post Next Post