১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের সবশেষ আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংঘাতের চিত্র পাল্টেছে। উত্তর কোরিয়ায় ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকায় সেখানে বিশ্বাসীদের জীবন এখনো চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। সোমালিয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাবে ধর্মীয় উগ্রবাদ সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। ইয়েমেনে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের প্রভাবে সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো প্রায় বিলুপ্তির পথে। ইরানে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুশাসন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে, যা মাঝেমধ্যেই সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। পাকিস্তানে ব্লাসফেমি আইনের অপব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। চীনে উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার খর্ব করার খবরগুলো আবারও বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা এ বছর রেকর্ড ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় নতুন আইনি কাঠামো তৈরি করেছে, যেখানে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ায় সরকারি পর্যায়ে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ জোরদার করায় সেখানে সামাজিক সহনশীলতা আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। আফগানিস্তানে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর কঠোর ধর্মীয় আইনের কারণে শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। আমেরিকায় অভিবাসী ও বিভিন্ন ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর ওপর বর্ণবাদী হামলার হার কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেখানে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ভারতের কিছু রাজ্যে ধর্মীয় উৎসবে উত্তেজনার খবর পাওয়া গেলেও কেন্দ্রীয়ভাবে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা চলছে। নাইজেরিয়ায় ধর্মীয় দাঙ্গায় প্রাণহানির সংখ্যা গত কয়েক মাসে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ধর্মীয় উগ্রপন্থা ছড়ানোর আশঙ্কায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
১৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের সবশেষ আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংঘাতের চিত্র পাল্টেছে। উত্তর কোরিয়ায় ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকায় সেখানে বিশ্বাসীদের জীবন এখনো চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে। সোমালিয়ায় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাবে ধর্মীয় উগ্রবাদ সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। ইয়েমেনে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের প্রভাবে সংখ্যালঘু ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো প্রায় বিলুপ্তির পথে। ইরানে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি ধর্মীয় অনুশাসন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে, যা মাঝেমধ্যেই সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। পাকিস্তানে ব্লাসফেমি আইনের অপব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। চীনে উইঘুর মুসলিমদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অধিকার খর্ব করার খবরগুলো আবারও বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা এ বছর রেকর্ড ছাড়িয়েছে। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় নতুন আইনি কাঠামো তৈরি করেছে, যেখানে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ায় সরকারি পর্যায়ে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ জোরদার করায় সেখানে সামাজিক সহনশীলতা আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। আফগানিস্তানে বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর কঠোর ধর্মীয় আইনের কারণে শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। আমেরিকায় অভিবাসী ও বিভিন্ন ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর ওপর বর্ণবাদী হামলার হার কিছুটা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেখানে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ভারতের কিছু রাজ্যে ধর্মীয় উৎসবে উত্তেজনার খবর পাওয়া গেলেও কেন্দ্রীয়ভাবে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা চলছে। নাইজেরিয়ায় ধর্মীয় দাঙ্গায় প্রাণহানির সংখ্যা গত কয়েক মাসে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ধর্মীয় উগ্রপন্থা ছড়ানোর আশঙ্কায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
