বাগেরহাটের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ থাকলেও গণভোটের বিষয়টি নিয়ে চরম অস্পষ্টতা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ের মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছেন কিন্তু ব্যালট পেপারে 'হ্যাঁ' বা 'না' জয়যুক্ত করার এই নতুন প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। নির্বাচন কমিশন থেকে গণভোটের আইনি দিক বা প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মাঠ পর্যায়ে তেমন কোনো প্রচার চালানো হয়নি। সাধারণ কৃষিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ মনে করছেন এটি হয়তো সাধারণ নির্বাচনেরই কোনো অংশ।
স্থানীয় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজারের আলোচনায় এখন কেবলই নির্বাচনের হাওয়া। তবে যখনই গণভোটের প্রসঙ্গ আসছে, তখন অধিকাংশ মানুষই একে জটিল মনে করছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে বা পরে কেন এই আলাদা ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। শিক্ষিত সমাজের একটি অংশ বিষয়টিকে সংবিধান সংশোধনের অংশ হিসেবে জানলেও সাধারণ ভোটাররা এখনো পুরোপুরি অন্ধকারে। জেলা নির্বাচন অফিস থেকে মাইকিং বা লিফলেট বিতরণ না করায় এই বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
অনেকে আবার গণভোটের পদ্ধতি নিয়ে সংশয়ে আছেন যে এটি ইভিএমে হবে নাকি সনাতন ব্যালট পেপারে। বাগেরহাটের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাগুলোতে তথ্যের প্রবাহ কম থাকায় সেখানে গুজব ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে গণভোটের ফলাফল সরকারের স্থায়িত্বের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে চায়ের টেবিলে নানামুখী বিতর্ক চলছে। ভোটারদের দাবি, নির্বাচন কমিশন যেন দ্রুত সহজ ভাষায় এই গণভোটের উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি সম্পর্কে গ্রামগঞ্জে প্রচারণা চালায়। অন্যথায় ভোটের দিন কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাররা জটিলতায় পড়তে পারেন।
স্থানীয় চায়ের দোকান থেকে শুরু করে হাট-বাজারের আলোচনায় এখন কেবলই নির্বাচনের হাওয়া। তবে যখনই গণভোটের প্রসঙ্গ আসছে, তখন অধিকাংশ মানুষই একে জটিল মনে করছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে বা পরে কেন এই আলাদা ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে। শিক্ষিত সমাজের একটি অংশ বিষয়টিকে সংবিধান সংশোধনের অংশ হিসেবে জানলেও সাধারণ ভোটাররা এখনো পুরোপুরি অন্ধকারে। জেলা নির্বাচন অফিস থেকে মাইকিং বা লিফলেট বিতরণ না করায় এই বিভ্রান্তি আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
অনেকে আবার গণভোটের পদ্ধতি নিয়ে সংশয়ে আছেন যে এটি ইভিএমে হবে নাকি সনাতন ব্যালট পেপারে। বাগেরহাটের প্রত্যন্ত চরাঞ্চল ও সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাগুলোতে তথ্যের প্রবাহ কম থাকায় সেখানে গুজব ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে গণভোটের ফলাফল সরকারের স্থায়িত্বের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে চায়ের টেবিলে নানামুখী বিতর্ক চলছে। ভোটারদের দাবি, নির্বাচন কমিশন যেন দ্রুত সহজ ভাষায় এই গণভোটের উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি সম্পর্কে গ্রামগঞ্জে প্রচারণা চালায়। অন্যথায় ভোটের দিন কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাররা জটিলতায় পড়তে পারেন।
