বিদেশগামী কর্মীদের পেশাগত দক্ষতার উন্নয়নে সরকারের বর্তমান বাজেট বরাদ্দকে অত্যন্ত অপ্রতুল ও হতাশাজনক বলে অভিহিত করেছেন সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা। রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তাদের প্রশিক্ষণের পেছনে খরচের অংক খুবই সামান্য। জনশক্তি রপ্তানি খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত কারিগরি শিক্ষা ও আধুনিক প্রশিক্ষণের অভাবে দক্ষ কর্মী তৈরিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। এর ফলে বিদেশের বাজারে আমাদের কর্মীরা ভালো কাজ ও কাঙ্ক্ষিত বেতন পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দক্ষ জনশক্তি গড়তে না পারলে দীর্ঘমেয়াদে রেমিট্যান্স প্রবাহে ধস নামার আশঙ্কাও করছেন অনেকে।
বর্তমান বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবে অনেক কর্মী ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার না হওয়া এবং জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর আধুনিকায়নে স্থবিরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জনশক্তি রপ্তানিকারকরা দাবি করেছেন, শুধুমাত্র সার্টিফিকেট দেওয়ার নাম করে দায়সারা প্রশিক্ষণ দিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে টিকে থাকা অসম্ভব। বিদেশের আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়া কর্মীদের বিদেশে পাঠানো ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। সরকারকে এই খাতে কেবল ভর্তুকি নয়, বরং একে বিনিয়োগ হিসেবে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, দক্ষ কর্মী পাঠাতে পারলে বর্তমানে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।
পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় গ্রাম পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো আলোর মুখ দেখছে না। অনেক কর্মী চড়া সুদে ঋণ নিয়ে বিদেশে গেলেও দক্ষতার অভাবে সেখানে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষকের অভাব এবং সেকেলে পাঠ্যক্রমও দক্ষ কর্মী তৈরির পথে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। সরকারি পর্যায়ে নীতি নির্ধারণে পরিবর্তনের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এই বিনিয়োগে যুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত বাজেটে বড় ধরনের পরিবর্তন না আনলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে।
বর্তমান বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবে অনেক কর্মী ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার না হওয়া এবং জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোর আধুনিকায়নে স্থবিরতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জনশক্তি রপ্তানিকারকরা দাবি করেছেন, শুধুমাত্র সার্টিফিকেট দেওয়ার নাম করে দায়সারা প্রশিক্ষণ দিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে টিকে থাকা অসম্ভব। বিদেশের আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়া কর্মীদের বিদেশে পাঠানো ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। সরকারকে এই খাতে কেবল ভর্তুকি নয়, বরং একে বিনিয়োগ হিসেবে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, দক্ষ কর্মী পাঠাতে পারলে বর্তমানে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।
পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় গ্রাম পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো আলোর মুখ দেখছে না। অনেক কর্মী চড়া সুদে ঋণ নিয়ে বিদেশে গেলেও দক্ষতার অভাবে সেখানে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন। প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষকের অভাব এবং সেকেলে পাঠ্যক্রমও দক্ষ কর্মী তৈরির পথে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে। সরকারি পর্যায়ে নীতি নির্ধারণে পরিবর্তনের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এই বিনিয়োগে যুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুত বাজেটে বড় ধরনের পরিবর্তন না আনলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে।

