আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রর্থীদের জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গতকাল ৩০ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া চলবে আগামী ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। এবার ৩০০ সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মোট ২ হাজার ৫৮২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তারা প্রতিটি প্রার্থীর দেওয়া তথ্য ও নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করছেন। ঋণখেলাপি, কর ফাঁকি বা হলফনামায় ভুল তথ্য দেওয়ার মতো কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হতে পারে। প্রথম দিনে রংপুরসহ বেশ কিছু এলাকায় যাচাই-বাছাই শেষে কয়েকজনের প্রার্থিতা বাতিলের খবর পাওয়া গেছে।
ইসি সচিবালয় জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা আপিল করার সুযোগ পাবেন। এই আপিল আবেদন ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে। এরপর ১০ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে সব আপিল নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচনের পরবর্তী ধাপ হিসেবে ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক পাওয়ার পর ২২ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৬ লাখের বেশি। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
