ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে এবং ওই অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অনেকেই তেহরানের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যে ছায়াযুদ্ধ চলছে, সেখানে ওয়াশিংটনের এই সরাসরি অবস্থান নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র বা বড় ধরনের ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোঁড়ার সাহস না পায়, সেজন্যই সমুদ্রপথে এই সামরিক শক্তি বৃদ্ধি। রণতরীর পাশাপাশি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং কয়েক হাজার মেরিন সেনাও এই মিশনে যুক্ত হয়েছে। ট্রাম্প আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, তার সময়ে ইরানকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পেন্টাগনের এই তৎপরতা সেই কঠোর নীতিরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় এখন মার্কিন ড্রোন সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে। এর ফলে পুরো অঞ্চলে এক ধরণের থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন মিত্র দেশগুলো এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, তেহরান একে উস্কানিমূলক বলে অভিহিত করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, যেকোনো আগ্রাসনের জবাব তারা কঠোরভাবে দেবে। তবে ট্রাম্পের লক্ষ্য পরিষ্কার—ইরানের তেলের অর্থনীতি এবং সামরিক সক্ষমতাকে নড়বড়ে করে দেওয়া। এই মুহূর্তে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরীর উপস্থিতি সরাসরি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগুচ্ছে তাতে যেকোনো সময় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে এবং ওই অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অনেকেই তেহরানের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে গত কয়েক বছর ধরে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যে ছায়াযুদ্ধ চলছে, সেখানে ওয়াশিংটনের এই সরাসরি অবস্থান নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে, ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র বা বড় ধরনের ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোঁড়ার সাহস না পায়, সেজন্যই সমুদ্রপথে এই সামরিক শক্তি বৃদ্ধি। রণতরীর পাশাপাশি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং কয়েক হাজার মেরিন সেনাও এই মিশনে যুক্ত হয়েছে। ট্রাম্প আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, তার সময়ে ইরানকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পেন্টাগনের এই তৎপরতা সেই কঠোর নীতিরই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় এখন মার্কিন ড্রোন সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে। এর ফলে পুরো অঞ্চলে এক ধরণের থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন মিত্র দেশগুলো এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও, তেহরান একে উস্কানিমূলক বলে অভিহিত করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, যেকোনো আগ্রাসনের জবাব তারা কঠোরভাবে দেবে। তবে ট্রাম্পের লক্ষ্য পরিষ্কার—ইরানের তেলের অর্থনীতি এবং সামরিক সক্ষমতাকে নড়বড়ে করে দেওয়া। এই মুহূর্তে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে মার্কিন রণতরীর উপস্থিতি সরাসরি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগুচ্ছে তাতে যেকোনো সময় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
