মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে? হাতে আছে মাত্র কয়েকদিন, জানুন আপিলের নিয়ম


 যুক্তরাষ্ট্রের রহস্যময় 'ডুমসডে প্লেন' বা কেয়ামতের বিমান আকাশে ওড়া নিয়ে বিশ্বজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। পারমাণবিক যুদ্ধের মতো চরম সংকটের সময় কমান্ড সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত এই বিশেষ বিমানটি সম্প্রতি বেশ কয়েকবার আকাশে চক্কর দিতে দেখা গেছে। মূলত ওয়াশিংটন থেকে বিশ্বকে এক ধরণের প্রচ্ছন্ন বার্তা দিতেই এই শক্তিশালী সামরিক যানটি সচল করা হয়েছে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। এই বিমানটি এমনভাবে তৈরি যা পারমাণবিক বিস্ফোরণের তেজস্ক্রিয়তা সহ্য করেও দিব্যি উড়তে পারে এবং দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করতে সক্ষম।


পেন্টাগন সাধারণত এই বিমানের অবস্থান গোপন রাখলেও বর্তমানে এটি প্রকাশ্যে আনাকে শক্তি প্রদর্শনের কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের সাথে বাড়তে থাকা স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বিমানটির ভেতরে রয়েছে অত্যাধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে সরাসরি যুদ্ধ পরিচালনা করতে পারেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র প্রমাণ করতে চায় যে, মূল ভূখণ্ডে হামলা হলেও তাদের পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ থাকবে।

রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এই ডুমসডে প্লেনটিতে জ্বালানি নেওয়ার জন্য ল্যান্ড করার প্রয়োজন পড়ে না, কারণ মাঝ আকাশেই অন্য বিমান থেকে এতে জ্বালানি ভরা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যে এই বিমানের মুভমেন্ট অনেক দেশের সামরিক গোয়েন্দাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। সাধারণ কোনো মহড়া নাকি আসন্ন কোনো বড় সংঘাতের প্রস্তুতি—তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র আসলে মিত্রদের আশ্বস্ত করতে এবং শত্রুদের ভয় দেখাতে এই বিশেষ মহড়া চালাচ্ছে।

Previous Post Next Post