প্রযুক্তি বিশ্বের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সাল বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধু উত্তর দেওয়ার গণ্ডি পেরিয়ে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে 'এআই ফেডারেলিজম' নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে, যেখানে ডাটা সেন্টারের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সিলিকন ও স্টিলের অবকাঠামো উন্নয়নে দেশিটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্যদিকে চীন তাদের হ্যাকিং অভিযানে প্রথমবারের মতো এআই-চালিত স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ব্যবহার করে সাইবার যুদ্ধের নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং দেশটি এখন চিপ উৎপাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণতায় ভিয়েতনামের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে কারখানা তৈরিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ইউরোপের দেশগুলো, বিশেষ করে সুইডেন ও ডেনমার্ক এখন পরিবেশবান্ধব ডিজিটাল অবকাঠামো বা গ্রিন টেকনোলজিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় অগমেন্টেড রিয়েলিটি বা স্মার্ট গ্লাস ব্যবহারের হার আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেড়েছে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত এখন দ্রুততম সময়ে ডিজিটাল স্কিল উন্নয়নে শীর্ষে রয়েছে এবং দেশটির উদ্ভাবকরা মানুষের মতো দেখতে এআই-চালিত স্বাস্থ্যসেবা রোবট তৈরিতে সাফল্য দেখিয়েছে যা রোগ শনাক্ত করতে সক্ষম। ভিয়েতনাম তাদের নিজস্ব চিপ কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করেছে যা ২০২৭ সালের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এদিকে ফ্রান্স ২০২৬ সালকে তাদের স্টার্টআপ খাতের জন্য 'ইউনিকর্ন' তৈরির বছর হিসেবে দেখছে, যেখানে তারা বড় অংকের তহবিল বিনিয়োগ করছে শুধু ডিপ-টেক গবেষণায়। পুরো বিশ্বে এখন কোয়ান্টাম কম্পিউটিং নিয়ে এক ধরণের স্নায়ুযুদ্ধ চলছে কারণ যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন মনে করছে যার হাতে এই প্রযুক্তি আগে আসবে তারাই বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে। জাপানে হিউম্যানয়েড রোবটগুলো এখন কেবল কারখানায় নয়, সরাসরি সেবা খাতে গ্রাহকদের সাথে কথা বলে কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া তাদের সিক্স-জি (6G) নেটওয়ার্কের প্রাথমিক পরীক্ষা সফলভাবে শেষ করে বিশ্বকে দ্রুতগতির ইন্টারনেটের নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে। ব্রাজিলে এখন কৃষি খাতে এআই ড্রোন ব্যবহার করে ফলন বৃদ্ধির হার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। সামগ্রিকভাবে ২০২৬ সালে প্রযুক্তি কেবল ল্যাবরেটরিতে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষের ঘরের দরজায় কড়া নাড়ছে।
প্রযুক্তি বিশ্বের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ২০২৬ সাল বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) শুধু উত্তর দেওয়ার গণ্ডি পেরিয়ে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে 'এআই ফেডারেলিজম' নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে, যেখানে ডাটা সেন্টারের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সিলিকন ও স্টিলের অবকাঠামো উন্নয়নে দেশিটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্যদিকে চীন তাদের হ্যাকিং অভিযানে প্রথমবারের মতো এআই-চালিত স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ব্যবহার করে সাইবার যুদ্ধের নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং দেশটি এখন চিপ উৎপাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণতায় ভিয়েতনামের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে কারখানা তৈরিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। ইউরোপের দেশগুলো, বিশেষ করে সুইডেন ও ডেনমার্ক এখন পরিবেশবান্ধব ডিজিটাল অবকাঠামো বা গ্রিন টেকনোলজিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় অগমেন্টেড রিয়েলিটি বা স্মার্ট গ্লাস ব্যবহারের হার আগের চেয়ে কয়েক গুণ বেড়েছে। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত এখন দ্রুততম সময়ে ডিজিটাল স্কিল উন্নয়নে শীর্ষে রয়েছে এবং দেশটির উদ্ভাবকরা মানুষের মতো দেখতে এআই-চালিত স্বাস্থ্যসেবা রোবট তৈরিতে সাফল্য দেখিয়েছে যা রোগ শনাক্ত করতে সক্ষম। ভিয়েতনাম তাদের নিজস্ব চিপ কারখানা স্থাপনের কাজ শুরু করেছে যা ২০২৭ সালের মধ্যে উৎপাদনে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এদিকে ফ্রান্স ২০২৬ সালকে তাদের স্টার্টআপ খাতের জন্য 'ইউনিকর্ন' তৈরির বছর হিসেবে দেখছে, যেখানে তারা বড় অংকের তহবিল বিনিয়োগ করছে শুধু ডিপ-টেক গবেষণায়। পুরো বিশ্বে এখন কোয়ান্টাম কম্পিউটিং নিয়ে এক ধরণের স্নায়ুযুদ্ধ চলছে কারণ যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন মনে করছে যার হাতে এই প্রযুক্তি আগে আসবে তারাই বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবে। জাপানে হিউম্যানয়েড রোবটগুলো এখন কেবল কারখানায় নয়, সরাসরি সেবা খাতে গ্রাহকদের সাথে কথা বলে কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া তাদের সিক্স-জি (6G) নেটওয়ার্কের প্রাথমিক পরীক্ষা সফলভাবে শেষ করে বিশ্বকে দ্রুতগতির ইন্টারনেটের নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে। ব্রাজিলে এখন কৃষি খাতে এআই ড্রোন ব্যবহার করে ফলন বৃদ্ধির হার আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। সামগ্রিকভাবে ২০২৬ সালে প্রযুক্তি কেবল ল্যাবরেটরিতে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষের ঘরের দরজায় কড়া নাড়ছে।
