পুয়ের্তো রিকোর উপকূলে বিশাল সামরিক শক্তি প্রদর্শন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগনের নির্দেশে সেখানে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বড় ধরনের মহড়া শুরু করেছে মার্কিন সেনারা। এই মহড়ায় অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং স্টিলথ ফাইটার জেট ব্যবহার করা হচ্ছে। হঠাৎ করে পুয়ের্তো রিকোর মতো দ্বীপে এই পর্যায়ের সামরিক মহড়া চালানোয় আন্তর্জাতিক মহলে বেশ কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মূলত চীন ও রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতেই ওয়াশিংটন এই কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে। পুয়ের্তো রিকোর অবস্থান এমন একটি জায়গায়, যেখান থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চলের পাশাপাশি ল্যাটিন আমেরিকার সমুদ্রসীমা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। মহড়ায় ড্রোন বিধ্বংসী লেজার সিস্টেম এবং পানির নিচে নজরদারি চালানোর রোবোটিক প্রযুক্তিরও পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।
মার্কিন নৌবাহিনীর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি কেবল সাধারণ প্রশিক্ষণ নয়, বরং এই অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের প্রস্তুতিরই অংশ। মহড়া চলাকালীন দ্বীপের কাছাকাছি বেসামরিক নৌযান চলাচল সাময়িকভাবে সীমিত করা হয়েছে। কয়েকদিন ধরে চলা এই কার্যক্রমের মাধ্যমে মার্কিন সেনারা সরাসরি যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত মোতায়েন হওয়ার দক্ষতা যাচাই করছে। এই পদক্ষেপের ফলে কিউবা ও ভেনেজুয়েলার মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে আমেরিকার স্নায়ুযুদ্ধ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
