সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) আঞ্চলিক পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকে পুতুলের বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে নানা গুঞ্জন চলছে। সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুরোধে ডব্লিউএইচও তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলে বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দেয়। আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড মনে করছে, পুতুলের মতো একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বকে কোণঠাসা করা হলে সেটি দলের বৈশ্বিক ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর হবে। একারণে ইউরোপ এবং আমেরিকার বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে লবিং শুরু করেছেন দলের প্রবাসী নেতারা। তাদের লক্ষ্য হলো, পুতুলকে কোনো আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা বা মানবাধিকার সংস্থায় বড় কোনো পদে পদায়ন করা। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করতে চায় যে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও তাদের নেতৃত্বের যোগ্যতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিজম বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন, সেই অভিজ্ঞতাকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে দলটি। জাতিসংঘের বিভিন্ন উইংয়ে তাকে যুক্ত করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। শেখ হাসিনাও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে পুতুলের ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে ভারত ও রাশিয়ার পক্ষ থেকে পুতুলের বিষয়ে ইতিবাচক সমর্থনের আশা করছে দলটি। আওয়ামী লীগের কৌশল হলো, পুতুলকে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় রেখে বর্তমান সরকারের ওপর এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা। এই প্রক্রিয়ায় সায়মা ওয়াজেদকে কেবল একজন বিশেষজ্ঞ নয়, বরং আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক ফেস হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) আঞ্চলিক পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর তাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করতে জোর তৎপরতা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর থেকে পুতুলের বর্তমান অবস্থান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দলের ভেতরে-বাইরে নানা গুঞ্জন চলছে। সম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুরোধে ডব্লিউএইচও তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলে বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দেয়। আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড মনে করছে, পুতুলের মতো একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বকে কোণঠাসা করা হলে সেটি দলের বৈশ্বিক ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর হবে। একারণে ইউরোপ এবং আমেরিকার বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে লবিং শুরু করেছেন দলের প্রবাসী নেতারা। তাদের লক্ষ্য হলো, পুতুলকে কোনো আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা বা মানবাধিকার সংস্থায় বড় কোনো পদে পদায়ন করা। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করতে চায় যে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও তাদের নেতৃত্বের যোগ্যতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিজম বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন, সেই অভিজ্ঞতাকেই ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে দলটি। জাতিসংঘের বিভিন্ন উইংয়ে তাকে যুক্ত করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। শেখ হাসিনাও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে পুতুলের ক্যারিয়ার নিয়ে কথা বলছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে ভারত ও রাশিয়ার পক্ষ থেকে পুতুলের বিষয়ে ইতিবাচক সমর্থনের আশা করছে দলটি। আওয়ামী লীগের কৌশল হলো, পুতুলকে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় রেখে বর্তমান সরকারের ওপর এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করা। এই প্রক্রিয়ায় সায়মা ওয়াজেদকে কেবল একজন বিশেষজ্ঞ নয়, বরং আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক ফেস হিসেবে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
