চট্টগ্রামে হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে শিশুদের মধ্যে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ার মতো মারাত্মক রোগ। গত কয়েক দিন ধরে নগরীর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগীর ভিড় এতটাই বেড়েছে যে, তিল ধারণের জায়গা পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকছে। মেঝেতে শুইয়েই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে শত শত শিশুকে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে চট্টগ্রামে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অনেক শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যাদের একটি বড় অংশের বয়স এক থেকে ছয় মাসের মধ্যে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মৃত শিশুদের প্রায় ৬০ শতাংশই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ছিল।
শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে প্রতিদিন গড়ে চমেক হাসপাতালেই অর্ধশতাধিক নতুন শিশু রোগী ভর্তি হচ্ছে। একটি অক্সিজেন লাইন থেকে একাধিক শিশুকে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স ও চিকিৎসকরা। অনেক সময় সময়মতো হাসপাতালে না নিয়ে আসা বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে ওষুধ খাওয়ানোর ফলে শিশুদের শারীরিক অবস্থা জটিল হয়ে পড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, বুক দেবে যাওয়া বা ঘন ঘন বমি হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। বিশেষ করে নবজাতকদের ক্ষেত্রে নিয়মিত মায়ের দুধ খাওয়ানো এবং ধুলোবালি থেকে দূরে রাখাটা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেবল চট্টগ্রাম শহর নয়, আশপাশের উপজেলাগুলো থেকেও অসুস্থ শিশুদের নিয়ে পরিবারগুলো ভিড় করছে শহরের বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে।
শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে প্রতিদিন গড়ে চমেক হাসপাতালেই অর্ধশতাধিক নতুন শিশু রোগী ভর্তি হচ্ছে। একটি অক্সিজেন লাইন থেকে একাধিক শিশুকে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স ও চিকিৎসকরা। অনেক সময় সময়মতো হাসপাতালে না নিয়ে আসা বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে ওষুধ খাওয়ানোর ফলে শিশুদের শারীরিক অবস্থা জটিল হয়ে পড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, বুক দেবে যাওয়া বা ঘন ঘন বমি হওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। বিশেষ করে নবজাতকদের ক্ষেত্রে নিয়মিত মায়ের দুধ খাওয়ানো এবং ধুলোবালি থেকে দূরে রাখাটা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেবল চট্টগ্রাম শহর নয়, আশপাশের উপজেলাগুলো থেকেও অসুস্থ শিশুদের নিয়ে পরিবারগুলো ভিড় করছে শহরের বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে।
