রাজধানীর উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে লাগা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার ভোরে এই আগুনের সূত্রপাত হয়, যা দ্রুত পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই দুর্ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে। ঘটনার সময় ভবনের বাসিন্দারা ঘুমে থাকায় অনেকেই বের হওয়ার পর্যাপ্ত সময় পাননি। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন সদস্য রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, আগুনের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে তারা কাছে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করতে পারছিলেন না। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধ আরও কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। উদ্ধারকর্মীরা ভবনের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে নিথর দেহগুলো উদ্ধার করে নিচে নামিয়ে আনেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ভবনের ফায়ার সেফটি বা অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আরও বেশ কয়েকজন প্রতিবেশী। উত্তরার ওই এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং উৎসুক জনতা দুর্ঘটনাস্থলে ভিড় জমাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের স্বজনদের আহাজারিতে ওই এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। প্রশাসন থেকে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে লাগা ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার ভোরে এই আগুনের সূত্রপাত হয়, যা দ্রুত পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই দুর্ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে। ঘটনার সময় ভবনের বাসিন্দারা ঘুমে থাকায় অনেকেই বের হওয়ার পর্যাপ্ত সময় পাননি। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের চারজন সদস্য রয়েছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, আগুনের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে তারা কাছে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করতে পারছিলেন না। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধ আরও কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। উদ্ধারকর্মীরা ভবনের ভেতরে তল্লাশি চালিয়ে নিথর দেহগুলো উদ্ধার করে নিচে নামিয়ে আনেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ভবনের ফায়ার সেফটি বা অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা পর্যাপ্ত ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আরও বেশ কয়েকজন প্রতিবেশী। উত্তরার ওই এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং উৎসুক জনতা দুর্ঘটনাস্থলে ভিড় জমাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের স্বজনদের আহাজারিতে ওই এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। প্রশাসন থেকে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
