মুদ্রাস্ফীতির আগুনে পুড়ছে ইরান: সাধারণ মানুষের ঘরে এখন শুধু হাহাকার


 ইরানের অভ্যন্তরীণ বাজারে মুদ্রাস্ফীতি এখন সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে, যার ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসের দাম প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, যা সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার সম্পূর্ণ বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে দেশটিতে চাল, ডাল এবং তেলের মতো মৌলিক খাদ্যপণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় আমদানি করা পণ্য বাজারে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। তেহরানের প্রধান বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় কমলেও হাহাকার বাড়ছে পাল্লা দিয়ে।

ইরানি রিয়ালের দাম মার্কিন ডলারের বিপরীতে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও তাতে ইরানের অভ্যন্তরীণ বাজারে মুদ্রাস্ফীতি এখন সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে, যার ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসের দাম প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, যা সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার সম্পূর্ণ বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে দেশটিতে চাল, ডাল এবং তেলের মতো মৌলিক খাদ্যপণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় আমদানি করা পণ্য বাজারে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। তেহরানের প্রধান বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় কমলেও হাহাকার বাড়ছে পাল্লা দিয়ে।

ইরানি রিয়ালের দাম মার্কিন ডলারের বিপরীতে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়ায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও তাতে এখন পর্যন্ত কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং দুর্বল মুদ্রানীতির কারণেই ইরান এই গভীর গর্তে পড়েছে। অনেক কলকারখানা কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ায় বেকারত্বের হারও দ্রুত বাড়ছে। সাধারণ মানুষ এখন সঞ্চয় ভেঙে দৈনন্দিন খরচ মেটানোর চেষ্টা করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের সামাজিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে ভর্তুকি বাড়ানোর কথা বলা হলেও সাধারণ জনগণের দাবি,ইরানের অভ্যন্তরীণ বাজারে মুদ্রাস্ফীতি এখন সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে, যার ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসের দাম প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, যা সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার সম্পূর্ণ বাইরে চলে গেছে। বর্তমানে দেশটিতে চাল, ডাল এবং তেলের মতো মৌলিক খাদ্যপণ্যের দাম গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় আমদানি করা পণ্য বাজারে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। তেহরানের প্রধান বাজারগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় কমলেও হাহাকার বাড়ছে পাল্লা দিয়ে।
 তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। ওষুধের বাজারেও চলছে তীব্র সংকট, জীবন রক্ষাকারী ইনজেকশন বা বড়ি কিনতে মানুষকে গুনতে হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি টাকা। আবাসন খাতের অবস্থা আরও ভয়াবহ; ভাড়া মেটাতে না পেরে অনেক পরিবার শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে পাড়ি জমাচ্ছে। এই লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিভিন্ন শহরে ছোট ছোট বিক্ষোভ দানা বাঁধছে। সব মিলিয়ে ইরান এখন তাদের ইতিহাসের অন্যতম কঠিন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।এখন পর্যন্ত কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং দুর্বল মুদ্রানীতির কারণেই ইরান এই গভীর গর্তে পড়েছে। অনেক কলকারখানা কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ায় বেকারত্বের হারও দ্রুত বাড়ছে। সাধারণ মানুষ এখন সঞ্চয় ভেঙে দৈনন্দিন খরচ মেটানোর চেষ্টা করছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের সামাজিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে ভর্তুকি বাড়ানোর কথা বলা হলেও সাধারণ জনগণের দাবি, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। ওষুধের বাজারেও চলছে তীব্র সংকট, জীবন রক্ষাকারী ইনজেকশন বা বড়ি কিনতে মানুষকে গুনতে হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি টাকা। আবাসন খাতের অবস্থা আরও ভয়াবহ; ভাড়া মেটাতে না পেরে অনেক পরিবার শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে পাড়ি জমাচ্ছে। এই লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিভিন্ন শহরে ছোট ছোট বিক্ষোভ দানা বাঁধছে। সব মিলিয়ে ইরান এখন তাদের ইতিহাসের অন্যতম কঠিন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে।

Previous Post Next Post