হারিয়ে যাওয়া শিশুদের দ্রুত খুঁজে পেতে এবং উদ্ধারে বিশেষ হেল্পলাইন সেবা চালু করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো শিশু নিখোঁজ হওয়ার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে এই সিস্টেম ব্যবহার করে তাকে খুঁজে বের করার কাজ শুরু করা যাবে। নতুন এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ সরাসরি প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাবেন। আগের মতো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে এই বিশেষ সেবার মাধ্যমে মুহূর্তেই শিশুর তথ্য সব জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। মূলত অপহরণ বা নিখোঁজের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ থাকে, আর সেই সময়টাকেই কাজে লাগাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সেবার আওতায় নিখোঁজ শিশুর ছবি ও বর্ণনা দ্রুত ডাটাবেজে যুক্ত করা হবে। দেশের বিভিন্ন চেকপোস্ট এবং জনবহুল এলাকায় এই তথ্য পৌঁছে যাবে খুব অল্প সময়ে। সাধারণ মানুষ চাইলে একটি নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে বা অ্যাপের মাধ্যমে নিখোঁজের বিষয়টি রিপোর্ট করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এই হেল্পলাইনটি ২৪ ঘণ্টা সচল থাকবে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পাচার রোধে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হারিয়ে যাওয়া শিশুদের দ্রুত খুঁজে পেতে এবং উদ্ধারে বিশেষ হেল্পলাইন সেবা চালু করা হয়েছে। এখন থেকে কোনো শিশু নিখোঁজ হওয়ার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যে এই সিস্টেম ব্যবহার করে তাকে খুঁজে বের করার কাজ শুরু করা যাবে। নতুন এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষ সরাসরি প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাবেন। আগের মতো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা না করে এই বিশেষ সেবার মাধ্যমে মুহূর্তেই শিশুর তথ্য সব জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে। মূলত অপহরণ বা নিখোঁজের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ থাকে, আর সেই সময়টাকেই কাজে লাগাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সেবার আওতায় নিখোঁজ শিশুর ছবি ও বর্ণনা দ্রুত ডাটাবেজে যুক্ত করা হবে। দেশের বিভিন্ন চেকপোস্ট এবং জনবহুল এলাকায় এই তথ্য পৌঁছে যাবে খুব অল্প সময়ে। সাধারণ মানুষ চাইলে একটি নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে বা অ্যাপের মাধ্যমে নিখোঁজের বিষয়টি রিপোর্ট করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এই হেল্পলাইনটি ২৪ ঘণ্টা সচল থাকবে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পাচার রোধে এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
