বাংলাদেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাবে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বা এফডিআই প্রবাহে বড় ধরনের ভাটা পড়েছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে দেশের স্থিতিশীলতা নিয়ে সন্দিহান থাকায় নতুন করে মূলধন বিনিয়োগে একদমই আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নীতিমালার ঘন ঘন পরিবর্তনের কারণে বিদেশিরা তাদের কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ পরিকল্পনা থেকে পিছিয়ে গেছেন। অনেক বিদেশি কোম্পানি তাদের চলমান প্রকল্পগুলোও আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ না থাকায় গত কয়েক প্রান্তিকে নতুন কোনো বড় প্রজেক্ট শুরু হয়নি।
ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, একটি দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, যা বর্তমানে সংকটের মুখে রয়েছে। বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো দেশে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করার আগে সেদেশের আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই নিশ্চয়তা না পাওয়ায় তারা নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে অন্য দেশগুলোকে বেছে নিচ্ছেন। বিশেষ করে ডলার সংকট এবং এলসি খোলায় কড়াকড়ির কারণে আগে থেকে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোও মুনাফা দেশে পাঠাতে সমস্যায় পড়ছে। এটি নতুন বিনিয়োগকারীদের মনে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং অবকাঠামোগত সমস্যার পাশাপাশি রাজনৈতিক সহিংসতা বিনিয়োগের খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত একটি অংশগ্রহণমূলক ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত হচ্ছে, ততক্ষণ বিদেশিদের এই অনাগ্রহ কাটবে না। উন্নয়ন সহযোগীরাও মনে করছেন, বড় বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য সরকারকে দ্রুত রাজনৈতিক সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বর্তমানে অনেক দেশি বিনিয়োগকারীও বিদেশে পুঁজি পাচারের চেষ্টা করছেন, যা বাজারের আস্থার সংকটকে আরও প্রকট করে তুলছে।
ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, একটি দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, যা বর্তমানে সংকটের মুখে রয়েছে। বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো দেশে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করার আগে সেদেশের আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করে। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই নিশ্চয়তা না পাওয়ায় তারা নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে অন্য দেশগুলোকে বেছে নিচ্ছেন। বিশেষ করে ডলার সংকট এবং এলসি খোলায় কড়াকড়ির কারণে আগে থেকে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোও মুনাফা দেশে পাঠাতে সমস্যায় পড়ছে। এটি নতুন বিনিয়োগকারীদের মনে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
এছাড়া আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং অবকাঠামোগত সমস্যার পাশাপাশি রাজনৈতিক সহিংসতা বিনিয়োগের খরচ বাড়িয়ে দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত একটি অংশগ্রহণমূলক ও স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত হচ্ছে, ততক্ষণ বিদেশিদের এই অনাগ্রহ কাটবে না। উন্নয়ন সহযোগীরাও মনে করছেন, বড় বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য সরকারকে দ্রুত রাজনৈতিক সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। বর্তমানে অনেক দেশি বিনিয়োগকারীও বিদেশে পুঁজি পাচারের চেষ্টা করছেন, যা বাজারের আস্থার সংকটকে আরও প্রকট করে তুলছে।
