বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে গুলশানে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইউইউ) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। আজ বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইইউ প্রতিনিধিরা বিশেষ করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন। তারেক রহমান ইইউ প্রতিনিধিদের কাছে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
বৈঠকে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং বিচারবিভাগীয় সংস্কারের বিষয়েও কথা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ইইউ প্রতিনিধি দল নির্বাচনের সময় সব দলের সমান সুযোগ বা 'লেভেল প্লেইং ফিল্ড' আছে কি না, সে বিষয়ে বিএনপির মতামত জানতে চেয়েছে। তারেক রহমান প্রতিনিধি দলকে জানিয়েছেন যে, জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। দীর্ঘ সময় পর নির্বাসন থেকে ফেরার পর ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বড় কোনো বৈঠক।
দলীয় একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিদেশি বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইইউর ভূমিকা নিয়েও কথা হয়েছে। ইউরোপীয় প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে তাদের সমর্থন বজায় রাখার আশ্বাস দিয়েছেন। বিএনপির সিনিয়র নেতারাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এবং তারা দেশের আইনশৃঙ্খলার বর্তমান চিত্র কূটনীতিকদের সামনে তুলে ধরেন। বৈঠক শেষে ইইউ প্রতিনিধি দল বা বিএনপি—কোনো পক্ষই সংবাদমাধ্যমে বিস্তারিত বিবৃতি না দিলেও এটিকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে দাবি করা হচ্ছে।
বৈঠকে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং বিচারবিভাগীয় সংস্কারের বিষয়েও কথা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। ইইউ প্রতিনিধি দল নির্বাচনের সময় সব দলের সমান সুযোগ বা 'লেভেল প্লেইং ফিল্ড' আছে কি না, সে বিষয়ে বিএনপির মতামত জানতে চেয়েছে। তারেক রহমান প্রতিনিধি দলকে জানিয়েছেন যে, জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। দীর্ঘ সময় পর নির্বাসন থেকে ফেরার পর ইউরোপীয় কূটনীতিকদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বড় কোনো বৈঠক।
দলীয় একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিদেশি বিনিয়োগ এবং উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইইউর ভূমিকা নিয়েও কথা হয়েছে। ইউরোপীয় প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে তাদের সমর্থন বজায় রাখার আশ্বাস দিয়েছেন। বিএনপির সিনিয়র নেতারাও এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এবং তারা দেশের আইনশৃঙ্খলার বর্তমান চিত্র কূটনীতিকদের সামনে তুলে ধরেন। বৈঠক শেষে ইইউ প্রতিনিধি দল বা বিএনপি—কোনো পক্ষই সংবাদমাধ্যমে বিস্তারিত বিবৃতি না দিলেও এটিকে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে দাবি করা হচ্ছে।
