কেরাণীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়নের বীর বাঘৈর এলাকায় একটি চারতলা বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে নিখোঁজের ২১ দিন পর মা ও মেয়ের গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন ৬৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা হাজেরা বেগম এবং তার ৩৮ বছর বয়সী মেয়ে মোসাম্মৎ মিনা। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ নিহতের দুই পুত্রবধূকে গ্রেফতার করেছে। গত ২৪ ডিসেম্বর থেকে তারা নিখোঁজ থাকলেও পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল। এলাকাবাসীর দেওয়া দুর্গন্ধের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ওই বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় লাশ দুটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, পারিবারিক কলহ ও সম্পত্তির বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। নিহত হাজেরা বেগমের দুই ছেলে বর্তমানে প্রবাসে অবস্থান করছেন। বাড়িতে শাশুড়ি ও ননদের সাথে দুই পুত্রবধূর সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ভালো ছিল না। স্থানীয়দের দাবি, পরিকল্পিতভাবে মা ও মেয়েকে হত্যার পর লাশ গুম করতে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়। দীর্ঘ তিন সপ্তাহ পর লাশে পচন ধরায় চারদিকে তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং বাড়ির মালিক পুলিশকে খবর দেন। দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা পুলিশ দুই পুত্রবধূকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
