সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় চিকিৎসা সেবা পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। গতরাত থেকে শুরু হওয়া এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে হাসপাতালের সব ধরনের ইনডোর সেবা বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনরতরা। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, নার্সদের অন্যায্য আচরণ ও পেশাগত দ্বন্দ্বে তারা হামলার শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে নার্সরা দাবি করছেন, চিকিৎসকরা তুচ্ছ ঘটনায় তাদের ওপর চড়াও হয়েছেন। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে দুই পক্ষই কর্মবিরতি পালন করায় হাসপাতালের সাধারণ রোগীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অপারেশন থিয়েটার থেকে শুরু করে সাধারণ ওয়ার্ড—সবখানেই এখন হাহাকার অবস্থা। দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত রোগী জরুরি প্রয়োজনে এসেও কোনো ডাক্তার বা সেবিকা পাচ্ছেন না। অনেক মুমূর্ষু রোগীকে চিকিৎসার অভাবে অন্য বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করতে বাধ্য হচ্ছেন স্বজনরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কয়েক দফা বৈঠক করলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান সূত্র মেলেনি। হাসপাতালের করিডোরগুলোতে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও চিকিৎসক ও নার্সদের উত্তেজনা কমেনি। কর্মবিরতি না তোলা পর্যন্ত কোনো সেবাই দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। সরকারি এই বড় হাসপাতালে দীর্ঘ সময় চিকিৎসা বন্ধ থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ।
সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও নার্সদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় চিকিৎসা সেবা পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। গতরাত থেকে শুরু হওয়া এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে বর্তমানে হাসপাতালের সব ধরনের ইনডোর সেবা বন্ধ করে দিয়েছেন আন্দোলনরতরা। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, নার্সদের অন্যায্য আচরণ ও পেশাগত দ্বন্দ্বে তারা হামলার শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে নার্সরা দাবি করছেন, চিকিৎসকরা তুচ্ছ ঘটনায় তাদের ওপর চড়াও হয়েছেন। এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে দুই পক্ষই কর্মবিরতি পালন করায় হাসপাতালের সাধারণ রোগীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অপারেশন থিয়েটার থেকে শুরু করে সাধারণ ওয়ার্ড—সবখানেই এখন হাহাকার অবস্থা। দূর-দূরান্ত থেকে আসা শত শত রোগী জরুরি প্রয়োজনে এসেও কোনো ডাক্তার বা সেবিকা পাচ্ছেন না। অনেক মুমূর্ষু রোগীকে চিকিৎসার অভাবে অন্য বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করতে বাধ্য হচ্ছেন স্বজনরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কয়েক দফা বৈঠক করলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান সূত্র মেলেনি। হাসপাতালের করিডোরগুলোতে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও চিকিৎসক ও নার্সদের উত্তেজনা কমেনি। কর্মবিরতি না তোলা পর্যন্ত কোনো সেবাই দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। সরকারি এই বড় হাসপাতালে দীর্ঘ সময় চিকিৎসা বন্ধ থাকায় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ।
