বিপরীতে, তেহরান এবং অন্যান্য শহরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। বিশেষ করে তরুণ সমাজ এবং শিক্ষার্থীরা এখনো বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় অনেক এলাকার সঠিক তথ্য পেতে দেরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানজুড়ে এক ধরণের থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে, অধিকাংশ সাধারণ নাগরিক শান্তি চায় এবং তারা বিশৃঙ্খলাকারীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। পাল্টা বিক্ষোভের মাধ্যমে জনমতের একটি বড় অংশ যে এখনো সরকারের পাশে আছে, তা প্রমাণের চেষ্টা চলছে। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানে এবারের গণ-অসন্তোষ আগের চেয়ে অনেক বেশি গভীর। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দুই পক্ষের মুখোমুখী অবস্থানে দেশটিতে বড় ধরণের গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।

